রামগঞ্জে পরিক্ষার নামে অর্থ আদায় করছেন শিক্ষকরা,নিচ্ছেন পরিক্ষার ফি ও মাসিক বেতন - pratidinkhobor24.com

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 1 October 2020

রামগঞ্জে পরিক্ষার নামে অর্থ আদায় করছেন শিক্ষকরা,নিচ্ছেন পরিক্ষার ফি ও মাসিক বেতন


রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ 

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রামন ঠেকাতে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে  চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করছে সরকার। কিন্তু
করোনাকালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে করোনা সংক্রামনের ঝুঁকি নিয়ে ও স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরীক্ষার নামে মুঠোফোনে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ডেকে আনেন শিক্ষকরা। পরে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করে  পরীক্ষার ফি ও মাসিক বেতন আদায় করে প্রশ্নপত্র এবং পরীক্ষার খাতা শিক্ষার্থীদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বাড়িতে বসেই 
নামেমাত্র পরীক্ষা নিচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।
সরেজমিনে , মাঝিরগাঁও কে এম ইউনাইটেড একাডেমি, পানপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়,রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়,লামচর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর রাজ্জাকিয়া জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়, মাছিমপুর এ এল এম উচ্চ বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের বাধ্য করে ৬ষ্ট-৭ম শ্রেনী ১৫০ টাকা, ৮ম শ্রেনী ২০০ টাকা, ৯ম শ্রেনী ২৫০ টাকা,১০ম শ্রেনী ৩০০ টাকা হারে পরিক্ষার ফি ও অক্টোবর মাস পর্যন্ত মাসিক বেতন আদায় করছে শিক্ষকরা।
কোন শিক্ষার্থী পরীক্ষার ফি ও বেতন পরিশোধ করতে না পারলে তাদের স্কুল থেকে প্রশ্নপত্র, খাতা দেয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। কয়েকজন অভিভাবক বলেন,ছেলে মেয়েদের বিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে শিক্ষকরা। করোনাকালে অনেক অভিভাবক কর্মসংস্থান হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছে এই আর্থিক সংকটের মুহূর্তে শিক্ষকদের চাপে অসহায় হয়ে পড়েছে অভিভাবকরা। পরীক্ষার ফি ও মাসিক বেতন পরিশোধ করতে না পারলে  শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন পত্র দেয়া হয় না, তাহলে কি শুধু টাকা কালেকশন এর জন্যই শিক্ষকরা নামেমাত্র পরীক্ষা নিচ্ছে এমন প্রশ্ন অভিভাবকদের।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাঝিরগাঁও কে এম ইউনাইটেড একাডেমীর প্রধান শিক্ষক বাহার উদ্দিন,রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেন ও পানপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করেই পরীক্ষা নিচ্ছেন তারা। তবে মাসিক বেতন এর ব্যাপারে কাউকে বাধ্য করা হয়নি। 
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোনাজের রশিদ বলেন, বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে সরকারি কোনো নির্দেশনা নেই আর মাসিক বেতন নেয়ার তো প্রশ্নই আসে না। তবুও কেন শিক্ষকরা পরীক্ষা নিলো তা খতিয়ে দেখবেন তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপ্তি চাকমা বলেন সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরীক্ষার নামে অর্থ আদায় করলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

No comments:

Post a comment

Post Bottom Ad

Pages