দরিদ্র ছাত্রের পাশে দাঁড়ালেন ইঞ্জিঃ শাহনেওয়াজ খান মিলন - pratidinkhobor24.com

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 26 October 2019

দরিদ্র ছাত্রের পাশে দাঁড়ালেন ইঞ্জিঃ শাহনেওয়াজ খান মিলন

এইচ এম মাইনুল ইসলাম টিটু :
দরিদ্র ছাত্রের পাশে দাঁড়ালেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ছাত্র ফেডারেশন বাংলাদেশের সুযোগ্য সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ শাহনেওয়াজ খান মিলন। অর্থের অভাবে কলেজে ভর্তি না পারা এক দরিদ্র পরিবারের ছাত্রকে আর্থিক সাহায্যের মাধ্যমে কলেজে ভর্তির ব্যবস্থা করে দিলেন তিনি। মোঃ আলিফ হোসেন নামের ছেলেটি যশোরের কোতয়ালী থানার ঝাউদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এখন সে যশোর সরকারি সিটি কলেজের ছাত্র। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক দিক বিবেচনায় দরিদ্র ছাত্রকে সাহায্য করার পর তার অনুভূতি ফেসবুকের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন শাহনেওয়াজ খান মিলন। তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল।

"আলাহামদুলিল্লাহ। আজকে আরও একটি ভালো কাজ করতে পেরে নিজের মন কে সান্ত্বনা দিতে পেরেছি। আমি রাজশাহীর যাওয়ার উদ্দেশ্যে বনলতা ট্রেনে দুপুর ১ঃ১০ মিনিটে ট্রেনে উঠে বসলাম তারপর যশোর থেকে এক পরিচিত ছোট ভাই কল করে কান্না কান্না কন্ঠে বলল, ভাই আমাকে আপনি একটু সাহায্য সহযোগিতা করতে পারবেন? আমি বললাম কি ধরনের সহযোগিতা বল। সে বলল, "ভাই আজকে আমার কলেজে ভর্তি হওয়ার শেষ দিন। এতদিন চেষ্টা করে টাকা সংগ্রহ করতে পারিনি ভাই, কোন উপায় না দেখে আমি আপনার কাছে সহযোগিতা কামনা করছি, আজকে ব্যাংকে টাকা জমা না দিতে পারলে আমার আর পড়াশোনা হবে না।" সে দুশ্চিন্তায় সকাল থেকে কিছুই খায়নি শুনে আমার খুবই খারাপ লেগেছে যা বলে বুঝানো যাবে না। আমি বললাম তুমি ব্যাংকে যাও আমি বিষয়টি দেখতেছি।
আল্লাহর অশেষ রহমত ও সবার দোয়ায় তার ভর্তি সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। মনের মধ্যে সত্যি অনেকটা শান্তি পেয়েছি যা বলে প্রকাশ করা যাবেনা।
সবাই মনে করতে পারেন যে ভালো কাজ করলে কি স্যোশাল মিডিয়া দিতে হবে। বিষয়টি তা নয় কিন্তু আমার মত মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের ভালো  কাজটি দেখে সমাজের আরও দশজন বিত্তবান লোক যদি এভাবে প্রতিটি মানুষের বিপদের সময় পাশে এসে দাড়ায় তাহলে আমাদের দেশ, সমাজ পরিবর্তন হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। নিজেকে  উপস্থাপন করার জন্য নয় আরও দশজন কে অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য ভালো কাজে উৎসাহ উদ্দীপনা দেওয়ার জন্য শেয়ার করলাম।"

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে ছাত্র ফেডারেশন বাংলাদেশের সাংগঠনিক কাজে রাজশাহী সফরকালে এক অসহায় পথশিশুর পড়ালেখার যাবতীয় খরচ বহনের দায়িত্ব নেন তিনি। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাকে স্কুলে ভর্তি সহ আনুষঙ্গিক শিক্ষা সামগ্রীর ব্যবস্থা করেন তিনি। সামাজিক গঠনমূলক, মানবিক ও উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডের মাধ্যমে ইতিমধ্যে তরুণ সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন ছাত্র ফেডারেশন বাংলাদেশের এ সাধারণ সম্পাদক।

No comments:

Post a comment

Post Bottom Ad

Pages