জামায়াত নিষিদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর নামে মডেল মসজিদের নামকরণের দাবি জানিয়েছে এম এ আউয়াল - pratidinkhobor24.com

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 6 April 2021

জামায়াত নিষিদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর নামে মডেল মসজিদের নামকরণের দাবি জানিয়েছে এম এ আউয়াল



নিউজ ডেস্কঃ
স্বাধীনতার ৫০ বছরেই জামায়াত মুক্ত বাংলাদেশ চাই এ স্লোগানকে সামনে রেখে আবারো সমমনাদের নিয়ে মাঠে সক্রিয় হচ্ছেন ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি এম এ আউয়াল। সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার জোর দাবিতে দেশব্যাপী জনগণের সমর্থন আদায়ের জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।

এজন্য তার সঙ্গে মাঠে কাজ করছেন সমমনাদলগুলোর শীর্ষ নেতারা। এছাড়া সারাদেশে চলমান প্রকল্প ৫৬০ ‘মডেল মসজিদ’ বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণের দাবিও তুলেছেন তিনি।

এম এ আউয়াল বলেন, পদ্মা সেতুর পর এ প্রথম বৃহৎ অবকাঠামো উন্নয়নে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য সরকার সারাদেশে মডেল মসজিদ নামে যে ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরি করছে তা মাইলফলক। আমরা এসব সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বঙ্গবন্ধুর নামে নাম করণের দাবি করছি।


তিনি জানান, জামায়াত নিষিদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর নামে মডেল মসজিদের নামকরণের দাবি নিয়ে আমরা মাঠে রয়েছি।

তিনি বলেন, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামী এখনো নিরাপদে তাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। উচ্চ আদালতে তাদের নিবন্ধন বাতিলের বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাই। পাশাপাশি দলীয়ভাবে জামায়াতের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রতি জোর দাবি জানাই।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন দাবি তুলে ধরেন।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন দেশের বৃহত্তম শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের ইমাম ফরীদ উদ্দিন মাসঊদ। তিনি বলেন, জামায়াতের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের মালিকানায় হস্তান্তর করে সুষ্ঠুভাবে সরকারকে পরিচালনা করতে হবে।

দেশবাসীও দ্রুত জামায়াতের বিচার চায় বলে তিনি জানান। মাসুদ বলেন, দেশে আলেম-ওলামা ও ইসলামী রাজনীতিবিদদের মাঝে যে অনৈক্য মূলত জামায়াতের হস্তক্ষেপে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নেতৃত্বের সংঘাতের কারণেও এমন ঘটে যাচ্ছে।

দুই নেতার সাথে সহমত পোষণ করে বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী দেশব্যাপী অশান্তি সৃষ্টির মাধ্যমে সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তাদের এই অশুভ চক্রান্ত বাস্তবায়নের জন্য কওমি কিছু ওলামাকে ব্যবহার করার কৌশল অবলম্বন করেছে। তিনিও জামায়াতের বিচারের দাবি জানান।

বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান, সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভান্ডারী বলেছেন, অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে দেশে ভাস্কর্য বিষয়ে এক প্রকার উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। তার পিছনে ছিল জামায়াত। তাই জামায়াতের দ্রুত বিচারের দাবিতে জনমতসহ সারাদেশে ফেস্টুন, লিফলেট বিতরণ করব।

ধর্মভিত্তিক সমমনা দলগুলোর এ শীর্ষ নেতা বলেন, ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে গ্রেনেড হামলা হয়। ভয়াবহ ওই গ্রেনেড হামলায় প্রাণ হারিয়েছিল ২৪ জন। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশে একযোগে ৬৩টি জেলায় বোমা বিস্ফোরণের প্রসঙ্গে এমএ আউয়াল বলেন, ‘১৭ আগস্ট ও ২১ আগস্ট হামলা একই সূত্রেগাঁথা, একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা মাত্র। জাতি এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না।

No comments:

Post a comment

Post Bottom Ad

Pages