বউ যে নারীই নয়, তা ১৫ দিনেও ধরতে পারলেন না স্বামী - pratidinkhobor24.com

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 11 January 2020

বউ যে নারীই নয়, তা ১৫ দিনেও ধরতে পারলেন না স্বামী




নিউজ ডেস্ক ঃ
ইসলামি শরীয়াহ মেনে তাদের বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর ১৪ দিন পার হয়ে গেছে। তবে বাসর রাত থেকেই কনে বলে আসছেন, তার পিরিয়ড চলছে। সে কারণে দুই সপ্তাহেও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন হয়নি দম্পতির মধ্যে।
তবে একদিন দুদিন করে ১৪ দিন হয়ে গেলে এ ব্যাপারে স্ত্রীকে জানান মুহাম্মদ মুতুম্বা নামে ওই ব্যক্তি। তবে তার স্ত্রী সোয়াবুল্লাহ নাবুকেরা জানান, তার শারীরিক কিছু সমস্যা হয়েছে। যে কারণে পিরিয়ড দীর্ঘ সময় ধরে হচ্ছে। ওদিকে স্ত্রী সুস্থ হওয়ার আশায় আছেন তার স্বামী।
এরই মধ্যে প্রতিবেশিরা মুতুম্বাকে ডেকে বলেন, রাতের বেলা তার স্ত্রী দেয়াল টপকে তাদের বাড়িতে ঢুকে টেলিভিশন এবং কিছু কাপড় চুরি করে এনেছেন।
কিন্তু দুই ঘর বিশিষ্ট ভাড়া বাসায় চুরির সামগ্রী না পেয়ে সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে সন্দেহ করেননি মুতুম্বা। এদিকে বিচার না পেয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন প্রতিবেশিরা। পুলিশ এসে মুতুম্বার স্ত্রী ধরে নিয়ে যায়। ওই সময় হিজাব ও বোরকা পরে ছিলেন ওই নারী।
থানায় নিয়ে গিয়ে নারী পুলিশ দেহ তল্লাশী শুরু করে। আর ওই সময় তারা বুঝতে পারেন, মুতুম্বার স্ত্রী হিসেবে যাকে ধরে এনেছেন, তিনি আসলে পুরুষ। এরপর মুতুম্বার কাছে ফোন যায় পুলিশের। পুলিশই মুতুম্বাকে জানায়, তার স্ত্রী হিসেবে থাকা ব্যক্তি আসলে পুুরুষ।
তবে সেই কথাও বিশ্বাস করেননি মুতুম্বা। তিনি পুলিশের কাছে আবেদন জানান, তার স্ত্রীর গোপনাঙ্গ দেখবেন। সে অনুসারে মুতুম্বাকে সেই অনুমতি দেয় পুলিশ।
জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে উগান্ডার কাউঙ্গা জেলার কিয়ামপিসি গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, নারী সেজে থাকা ওই যুবক আসলে চোর। তার আসল নাম রিচার্ড তুমুসাবি। মুতুম্বার টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই তিনি নারী সেজে বিয়ে করেছেন।
অন্যদিকে মুতুম্বা তাদের গ্রামের মসজিদের ইমাম। তিনি বলেন, আমি বিয়ের জন্য দীর্ঘদিন ধরে পাত্রী খুঁজছিলাম। আমি যখন এতো সুন্দর মেয়েকে হিযাব পরে দেখেছিলাম, তাকে ভালোলাগার কথা বলেছিলাম। সে রাজি হয়েছিল। সেই সঙ্গে সে বলেছিল, আমি তার বাবা-মায়ের কাছে মোহরানার টাকা না দেওয়া পর্যন্ত এবং বিয়ে না করা পর্যন্ত বিছানায় যাবে না।
তারপর থেকেই পিরিয়ডের কথা বলে আসছিলেন ওই নারী। বিষয়টি এখন উগান্ডার গোয়েন্দা বাহিনী তদন্ত করে দেখছে।

No comments:

Post a comment

Post Bottom Ad

Pages